ব্লগ ও নিবন্ধ

ভারতীয় এইচআর, পে-রোল কমপ্লায়েন্স এবং সংবিধিবদ্ধ অন্তর্দৃষ্টি — যারা এটি প্রতিদিন যাপন করেন তাদের দ্বারা লিখিত

Write for Us
10 articles

POSH-এর মিথ্যা অভিযোগ: নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীদের যা বোঝা উচিত

যখনই আমরা POSH আইন নিয়ে কথা বলি, আলোচনার সিংহভাগ স্বাভাবিকভাবেই কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা করার দিকেই কেন্দ্রীভূত থাকে। এটা একেবারেই প্রয়োজনীয়। কিন্তু এর আরেকটি দিকও আছে।

ভারতীয় জাতীয় পতাকা ও ত্রিবর্ণ: প্রত্যেক ভারতীয়ের যা জানা উচিত

যখনই ১৫ই আগস্ট বা ২৬শে জানুয়ারি আসে, আমরা সর্বত্র তেরঙ্গা দেখতে পাই। বাড়িতে। অফিস ভবনে। স্কুল ও কলেজে। গাড়ি ও মোটরসাইকেলে। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে।

POSH অভিযোগ পদ্ধতি: অভিযোগ পাওয়ার পর কী হয়?

এখন পর্যন্ত আমরা আলোচনা করেছি যে POSH আইনটি কী, কেন নিয়োগকর্তাদের এটিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া প্রয়োজন এবং কীভাবে একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি (I.C.) গঠন করা উচিত। কিন্তু এমন একটি প্রশ্ন আছে যা প্রত্যেক নিয়োগকর্তার মনে জাগে।

POSH অভ্যন্তরীণ কমিটি: কাদের নিয়োগ করা উচিত এবং এর ভূমিকা কী?

আমাদের পূর্ববর্তী নিবন্ধগুলিতে আমরা আলোচনা করেছি যে POSH আইনটি কী এবং কেন প্রত্যেক যোগ্য নিয়োগকর্তার এটিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত। এখন আসছে POSH পরিপালনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ — **অভ্যন্তরীণ সি**

POSH আইনের অধীনে নিয়োগকর্তার দায়িত্ব: প্রতিটি ব্যবসার জন্য একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা

অনেক নিয়োগকর্তা কোনো অভিযোগ বা আইনি নোটিশ পাওয়ার পরেই POSH আইন সম্পর্কে সচেতন হন। ততক্ষণে, যে ভুলগুলো আরও আগেই সংশোধন করা উচিত ছিল, সেগুলো শুধরে নেওয়ার জন্য প্রায়শই অনেক দেরি হয়ে যায়।

ভারতে POSH আইন: কেন প্রত্যেক নিয়োগকর্তার এটিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত

ব্যবসা পরিচালনা করা মানে শুধু বিক্রয় বৃদ্ধি করা, কর্মচারী ব্যবস্থাপনা করা বা ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জন করা নয়। এর পাশাপাশি এমন একটি কর্মক্ষেত্র তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে প্রত্যেক কর্মচারী নিরাপদ, সম্মানিত এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

এখন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে জিআরসি বাধ্যতামূলক।

শিল্প সম্পর্ক আইন, ২০২০-এর ধারা ৪ এবং শিল্প সম্পর্ক (কেন্দ্রীয়) বিধিমালা, ২০২৬-এর বিধি ৬ অনুযায়ী, প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি (জিআরসি) গঠন করা বাধ্যতামূলক।

নতুন মজুরি আইন ব্যাখ্যা: ১০টি মৌলিক বিষয় যা প্রত্যেক নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীর জানা উচিত

**নতুন মজুরি বিধি সিরিজ – প্রথম দিন** ভারতে নিয়োগকর্তা, এইচ.আর. পেশাদার, বেতন বিভাগ এবং কর্মচারীদের মধ্যে নতুন মজুরি বিধি সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে। কিন্তু এর সাথে আরও অনেক কিছু জড়িত আছে।

📢 গুরুত্বপূর্ণ আপডেট | শিক্ষানবিশ আইন, ১৯৬১ – সংশোধনীসমূহ ২২ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে

ভারত সরকার ‘জন বিশ্বাস (বিধান সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর অধীনে শিক্ষানবিশ আইন, ১৯৬১-তে উল্লেখযোগ্য সংশোধনী এনেছে, যা ২২ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এই সংস্কারগুলি...

ভারতে নতুন মজুরি আইন: বেতন-ভাতা, বেতন কাঠামো এবং কর্মচারী সুবিধার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়

যেকোনো ব্যবসার জন্য কর্মচারী ব্যবস্থাপনা ও বেতন-ভাতা প্রদান সবসময়ই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বেতন হিসাব, পিএফ, ইএসআই, বোনাস, গ্র্যাচুইটি, ছুটির নিয়মাবলী এবং অন্যান্য শ্রম আইনকানুন এর অন্তর্ভুক্ত।